একদিকে অশান্তি!‌ অন্যদিকে পাক প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে আমন্ত্রণ করছে মোদি সরকার

ভারতে আসার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার একথা জানালেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বললেন, এবছরের শেষে দিল্লিতে আয়োজিত হবে বার্ষিক সাংহাই কো–অপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে অংশ নেবে আট সদস্য দেশ এবং চার নজরদার দেশ। সদস্য দেশের মধ্যে অন্যতম পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের ওই সম্মেলনে এসসিও–র কর্মসূচি, বহুজাতিক অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ২০১৭ সালে চীন নেতৃত্বাধীন এসসিও–য় যুক্ত হয় ভারত এবং পাকিস্তান। আঞ্চলিক অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা নিয়েই আলোচনা হয় ওই শীর্ষ সম্মেলনে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ বা ইউএনএসসি–তে চীনের মাধ্যমে বুধবারই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে জম্মু–কাশ্মীর ইস্যুকে উত্থাপন করতে চেয়েছিল পাকিস্তান।

যদিও ইউএনএসসি–র বেশিরভাগ সদস্য রাষ্ট্রই চীনকে সাফ বলে দেয় ওই স্থান এধরনের আলোচনার জন্য উপযুক্ত নয়। চীনের সেই পদক্ষেপকে নিন্দনীয় এবং ইউএনএসসি–র অপব্যবহার বলে কটাক্ষ করেছে দিল্লি। চীন ভবিষ্যতে এধরনের কাজ করা থেকে বিরত হবে বলে মন্তব্য করেছেন রবীশ কুমার।

জম্মু–কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ হওয়ার পর থেকেই ভারত–পাকিস্তানের মধ্যে টানাপোড়েন অব্যাহত। তার মধ্যেই সিএএ পাস হয়েছে সংসদে। যা নিয়ে ভারতের উপর আরও ক্ষুব্ধ হয়েছে পাকিস্তান। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক এতোটাই তিক্ততায় পৌঁছে গিয়েছে যে ২০২০ সালের প্রথম দিন অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেও পাকিস্তানের নামোল্লেখ করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই চাপানউতোরের মধ্যে এবার ভারতে আসছেন ।