হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে মমতা বললেন, ‘বিজেপিকে এপ্রিল ফুল করুন’।

হুইল চেয়ারে করে ভোটের আবহে ছুটে গেছেন রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত। দোলের আগে থেকে নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামে জাঁকিয়ে বসেছেন। এখানে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে আজ ছিল শেষ প্রচার। প্রচার সেরে টেঙ্গুয়ার সভায় হুইলচেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন তিনি।
এদিন পরের পর সভা থেকে কী বললেন মমতা?
টেঙ্গুয়ার সভায় আক্রমণাত্মক মমতা।
• একটা কথোপকথন ভাইরাল করেছে। খবর ছিল কেউ কথা বলতে চায়। তাই কথা বলেছি। কারও অনুরোধে ফোন করলে দোষ কোথায়? সে ভাইরাল করলে তাঁর শাস্তি হওয়া উচিত। এরকম আমি আরও ফোন করব। ভাইরাল ফোনকল নিয়ে জবাব মমতার।
• কয়েকটা অসভ্য আমায় দেখে জয় শ্রী রাম বলেছে টেঙ্গুয়া মোড়ে। আমরা ছেড়ে দেওয়ার লোক নই।
• বিজেপি নিজের লোকেদের টিকিট দেয়নি। এমনকি জয়প্রকাশকে টিকিট দেয়নি। সব ধার করা।
• নন্দীগ্রামকে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছে গদ্দাররা। ভাগ্য ভালো যে ভোটের আগে চলে গিয়েছে। প্ল্যান ছিল ভোটের পর ৪০টা বিধায়ক নিয়ে যাওয়ার।
• বিজেপির কেউ কেউ বলল নাটক করছি। রিপোর্ট দেখলে বুঝবেন আমি না বেরলে নন্দীগ্রামের মানুষকে দোষ দিতে পারে। নন্দীগ্রামের মানুষের কোনও দোষ নেই।
বাঁশুলি চকে পয়লায় বিজেপিকে এপ্রিল ফুল করার ডাক মমতার।
• ওরা নিজের দলের একটা মেয়েকে মারবে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার থেকে আনা গুন্ডাদের দিয়ে অত্যাচার করাবে। তারপর হিন্দু- মুসলমান দাঙ্গা বাঁধিয়ে দেবে। এটাই ওদের প্ল্যান।
• সকাল সকাল মাস্ক পরে ভোট দিতে যাবেন। মাস্ক না পরলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট দিতে দিচ্ছে না।
• আমি মুখ্যমন্ত্রী। আর আমাকেই কিনা বহিরাগত বলছে!
• আর ৪৮ ঘণ্টা। তারপর পগার পার হতে হবে। তখন হলদি নদীর ধারে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমরাই থাকব।
• ১ এপ্রিল বিজেপিকে এপ্রিল ফুল করে দিন।
• আমিই নন্দীগ্রামের বিধায়ক হব। আমি গ্রাম থেকে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম, আর সেখানে নন্দীগ্রামের থেকে ভালো কিছু হয় না। নন্দীগ্রামের মাটি সংগ্রাম, লড়াইয়ের মাটি।
আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। নন্দীগ্রামের দিকে নজর বাংলা সহ সারা দেশের। তৃণমূল, বিজেপি সব পক্ষই প্রচারে ঝড় তুলল। কার ভাগ্য কোন দিকে মোড় নেয়, এখন তা জানার অপেক্ষা।